বুধবার, ৪ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩
বুধবার, ৪ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩
শিরোনাম:
ধুনটে ব্যক্তিগত উদ্যোগে বেহাল সড়ক সংস্কার করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী দুলালগাজীপুরে এনসিপির আয়োজিত গায়েবানা জানাজায় ধাওয়া দিলো পুলিশসাটুরিয়ার দিঘলীয়ায় রাস্তা নির্মানে অনিয়মের অভিযোগ !একটু বৃষ্টি হলেই জমে হাটু পানি !ধুনটে পৃথক বিস্ফোরক মামলায় আ.লীগ ও যুবলীগ নেতা গ্রেফতারলামায় সরকারের উন্নয়ন কার্যক্রম নিয়ে নারী সমাবেশ, ডেঙ্গু প্রতিরোধে ভিডিওচিত্র প্রদর্শনীরাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের বাস্তবায়নে নানিয়ারচরে ২৪০ যুবক-যুবতীকে প্রশিক্ষণের জন্য বাছাইবান্দরবানে উন্নয়ন ব্যাহত; ইট কিনতে বাড়তি টাকা গুনছেন বান্দরবানবাসীদৃষ্টিপ্রতিবন্ধকতাকে বুড়ো আঙুল: বান্দরবানের অদম্য ইমতিয়াজের এইচএসসিতে অনন্য জয়যাত্রাটঙ্গীতে গার্মেন্টস শ্রমিক অসন্তোষের নামে নৈরাজ্যের প্রতিবাদে বিএনপির অবস্থান কর্মসূচিগাজীপুরে আজও শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বাসের চাপায় অটোরিকশাচালক ও নারী নি/হ/ত, আহত শিশুসহ ২আমন ধান এর ঘ্রাণে হেমন্তের মাঠে মাঠে ব্যস্ত কৃষকগাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের পূবাইল অফিসে নীরব দুর্নীতি: জিম্মি করদাতারা, হাতিয়ে নেওয়া হচ্ছে লাখ লাখ টাকাআখাউড়া মসজিদপাড়ায় প্রভাবশালীদের প্রভাবে অতিষ্ঠ সাধারণ মানুষপাহাড়ি শিশুদের স্বপ্নে নতুন ডানা, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় পুনর্নির্মিত বুঝিখাল বিদ্যালয়

সদর হাসপাতালে দালাল চক্রের মূল হোতা আটক, উপরমহলের নির্দেশে ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ!

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি: প্রকাশিত: সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ৩:৩২ অপরাহ্ণ
সদর হাসপাতালে দালাল চক্রের মূল হোতা আটক, উপরমহলের নির্দেশে ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ!
৩২

ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে রোগী ভাগিয়ে নেওয়া ও দালাল সিন্ডিকেটের তৎপরতার অভিযোগ দীর্ঘদিনের। এবার সেই চক্রের মূল হোতা হিসেবে পরিচিত মাসুম নামের এক ব্যক্তিকে সন্দেহভাজন হিসেবে আটক করেন হাসপাতালের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা পুলিশ সদস্যরা। আটকের পর ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার জন্য ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও এনডিসি রাশেদুল হক সজীব। তবে শেষ পর্যন্ত কোনো ধরনের লিখিত সতর্কতা, জরিমানা কিংবা শাস্তিমূলক ব্যবস্থা ছাড়াই তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় উপরমহলের নির্দেশে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে বলে অনেকেই দাবি করেন। তবে প্রশাসনের পাল্টাপাল্টি বক্তব্যে সচেতন মহলের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে।

একাধিক সূত্রের অভিযোগ, মাসুম দীর্ঘদিন ধরে হাসপাতালকেন্দ্রিক দালাল চক্রের সঙ্গে জড়িত। প্রতিদিন হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীদের বিভিন্নভাবে প্রভাবিত করে বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকে পাঠানোর চেষ্টা করেন তিনি। অভিযোগ রয়েছে, তার নেতৃত্বে একটি সংঘবদ্ধ চক্র হাসপাতালের ভেতরে ও আশপাশে সক্রিয় রয়েছে। চক্রটির সঙ্গে রাজনৈতিক মহলের কিছু ব্যক্তির সম্পৃক্ততার অভিযোগও রয়েছে।

এ ছাড়া চক্রটির সদস্যদের বিরুদ্ধে ভিটামিন, ক্যালসিয়ামসহ বিভিন্ন ধরনের ওষুধ ও মেডিসিন পণ্য ডাক্তারদের মাধ্যমে রোগীদের মধ্যে সরবরাহের অভিযোগ রয়েছে, যেগুলোর প্রাতিষ্ঠানিক বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এসব পণ্য সরবরাহে হাসপাতালের কিছু চিকিৎসকের যোগসাজশ রয়েছে বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে।

ঘটনার সময় উপস্থিত থাকা বিভিন্ন সূত্র জানায়, প্রতিদিনের মতো রবিবারও (১ নভেম্বর) মাসুম হাসপাতাল থেকে রোগী বেসরকারি ক্লিনিকে নেওয়ার চেষ্টা করছিলেন বলে অভিযোগ। এ সময় হাসপাতালের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা পুলিশ সদস্যরা তাকে সন্দেহভাজন হিসেবে আটক করেন।প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ তার আচরনে সন্দেহ তৈরি হওয়ায় তাকে আটক করা হয় বলে জানা যায়।আটকের পর বিষয়টি থানায় জানানো হলে একপর্যায়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার জন্য ঘটনাস্থলে এনডিসি রাশেদুল হক সজীব আসেন বলে জানা যায়।

আটক অবস্থায় মাসুম উপস্থিত সাংবাদিকদের আর্থিক লেনদেনের প্রস্তাব দিয়েছিলেন বলেও অভিযোগ করেছেন কয়েকজন সাংবাদিক।

অন্যদিকে, কোনো ধরনের শাস্তিমূলক ব্যবস্থা ছাড়াই তাকে ছেড়ে দেওয়ায় স্থানীয় সচেতন মহল ও বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। একজনকে সন্দেহভাজন হিসেবে আটক করার পর ঘটনাস্থলে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট উপস্থিত হয়েও কেন কোনো লিখিত ব্যবস্থা নেওয়া হলো না, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সংশ্লিষ্টরা।

এ বিষয়ে জেলা প্রশাসনের এনডিসি রাশেদুল হক সজীবের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের ক্ষেত্রে অপরাধ সংঘটিত হওয়ার সময় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতি বা তার সম্মুখে ঘটনা ঘটার বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ। যেহেতু তার উপস্থিতিতে এমন কোনো ঘটনা ঘটেনি কিংবা দালালির সুনির্দিষ্ট প্রমাণ পাওয়া যায়নি, তাই কোনো মামলা বা জরিমানা না করে মৌখিকভাবে সতর্ক করে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। তার দাবি, মাসুমের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়নি। মাসুম তার বোনকে নিয়ে হাসপাতালে এসেছিলেন। কাউকে সরাসরি অপরাধ করতে না দেখলে আটক করা যায় না।
উপরমহলের নির্দেশে তাকে ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করে তিনি বলেন, এ বিষয়ে কোনো ফোনকল বা কারও নির্দেশনা ছিল না।
এনডিসি আরও দাবি করেন, পুলিশ মাসুমকে আটক করেনি। হাসপাতালের নিরাপত্তাকর্মীরা তাকে সন্দেহভাজন হিসেবে আটক করে পুলিশের সহযোগিতা চেয়েছিলেন। পরবর্তী সময়ে নিরাপত্তাকর্মীরা তাকে দালাল হিসেবে প্রমাণ করতে পারেননি বলে জানানোয় তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।

তবে তাকে আটক করা পুলিশদের ভাষ্য, হাসপাতালের জরুরি বিভাগের সামনে মাসুমকে বিভিন্ন রোগীর সঙ্গে নানা ভঙ্গিতে কথা বলতে দেখা যায়। এসময় প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে দালাল সন্দেহ হওয়ায় তাকে আটক করা হয় বলে জানায় পুলিশ। আটকের সময় তার সঙ্গে মা, বোন, স্ত্রী কিংবা অন্য কোনো নারী ছিলেন না বলেও জানায় পুলিশের সদস্যরা। তবে আটকের পর এবং এনডিসি ঘটনাস্থলে আসার পর কয়েকজন নারী সেখানে উপস্থিত হন।
পুলিশ আরও জানায়, মাসুমের বিরুদ্ধে দালালির অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেলেও প্রথমবারের মতো তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতে একই ধরনের কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়া গেলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে এনডিসি জানিয়েছেন।

এদিকে, হাসপাতালকেন্দ্রিক দালাল চক্রের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিনের অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও তাদের নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ কতটুকু নেওয়া হচ্ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। রোগীদের সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাসেবা গ্রহণের সুযোগ নিশ্চিত করা এবং দালাল চক্রের তৎপরতা বন্ধে হাসপাতাল প্রশাসন ও জেলা প্রশাসনের কার্যকর ভূমিকা দাবি করেছেন সচেতন নাগরিকরা।

ধুনটে ব্যক্তিগত উদ্যোগে বেহাল সড়ক সংস্কার করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী দুলাল

গোবিন্দ রায়,ধুনট (বগুড়া) প্রতিনিধি: প্রকাশিত: বুধবার, ৪ নভেম্বর, ২০২৬, ৫:৫৩ অপরাহ্ণ
ধুনটে ব্যক্তিগত উদ্যোগে বেহাল সড়ক সংস্কার করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী দুলাল

বগুড়ার ধুনট উপজেলার নিমগাছী ইউনিয়নের বেড়েরবাড়ী গ্রামের শহরপাড়া এলাকার দীর্ঘদিনের বেহাল কাঁচা সড়কটি ব্যক্তিগত অর্থায়নে মাটি ভরাট করে সংস্কার করেছেন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী শাহাদাৎ হোসেন দুলাল। তাঁর এ উদ্যোগে এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের যাতায়াত দুর্ভোগ কিছুটা লাঘব হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

বুধবার (৪ নভেম্বর) দুপুরে শ্রমিক ও মাটির ব্যবস্থা করে সড়কটির সংস্কারকাজ শুরু করেন তিনি। স্থানীয়দের ভাষ্য, দীর্ঘদিন ধরে সড়কটি চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছিল। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে কাদা ও পানি জমে শিক্ষার্থী, কৃষকসহ সাধারণ মানুষকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হতো।

শাহাদাৎ হোসেন দুলাল বেড়েরবাড়ী গ্রামের বুড়িরভিটা পাড়ার মৃত ওয়াহেদ আলী প্রামাণিকের ছেলে। তিনি নিমগাছী ইউনিয়ন যুবদলের নেতা এবং আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে আগ্রহী।

সংস্কারকাজ চলাকালে স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। তাঁদের মধ্যে ছিলেন নিমগাছী ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শাহাদাৎ হোসেন শিপন, ওলামা দলের নেতা এস এম জাহিদ সরকারসহ স্থানীয় নেতাকর্মীরা।

গাজীপুরে এনসিপির আয়োজিত গায়েবানা জানাজায় ধাওয়া দিলো পুলিশ

মোঃ নজরুল ইসলাম (গাজীপুর মহানগর) প্রতিনিধি:- প্রকাশিত: বুধবার, ৪ নভেম্বর, ২০২৬, ৫:৪৯ অপরাহ্ণ
গাজীপুরে এনসিপির আয়োজিত গায়েবানা জানাজায় ধাওয়া দিলো পুলিশ

গাজীপুর মহানগরের বাংলাবাজার এলাকায় পোশাক কারখানার শ্রমিক তৌফিক হোসেন মারা যাওয়ার ঘটনায় গায়েবানা জানাজা পড়তে আসা জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতাকর্মীদের ধাওয়া দিয়ে সরিয়ে দিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

বুধবার (৪ নভেম্বর) পৌনে ১২টার দিকে গাজীপুর মহানগরের চান্দনা চৌরাস্তা মোড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

জানা জায়, পোশাক শ্রমিক তৌফিক নিহতের ঘটনায় বুধবার দুপুর ১২টার দিকে গাজীপুর মহানগরের চান্দনা চৌরাস্তা এলাকায় গায়েবানা জানাজার ঘোষণা দেন এনসিপি নেতা আলী নাসের খান।

দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে কিছুসংখ্যক নেতাকর্মী নিয়ে আলী নাসের খান চান্দনা চৌরাস্তা মোড় এলাকায় আসেন। সেখানে গায়েবানা জানাজার একটি ব্যানার নিয়ে প্রথমে তারা বক্তব্য শুরু করেন। এনসিপি ও শ্রমিক শক্তির বেশ কয়েকজন নেতা বক্তব্য শেষ করলে আলী নাসের খান বক্তব্য দেন। তার বক্তব্য শেষ হওয়ার পরপরই গায়েবানা জানাজা না পড়ে মোনাজাত ধরেন আলী নাসের খান।

একপর্যায়ে পুলিশ ধাওয়া দিয়ে এবং সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে তাদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়।

এ বিষয়ে এনসিপির কেন্দ্রীয় মুখ্য সংগঠক আলী নাসের খান বলেন, পুলিশ তাদের শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে বাধা প্রদান করেছে। তারা পোশাক শ্রমিক তৌহিদ হত্যার বিচার দাবি করছেন। সেই সঙ্গে শ্রমিকদের ন্যায্য দাবি মেনে নেওয়ার জন্য সরকারের প্রতি দাবি জানান।

তিনি দাবি করেন, পুলিশের হামলায় জাতীয় শ্রমিক শক্তির সভাপতি এবং এনসিপি গাজীপুর জেলা কমিটির নেতাসহ অন্তত ২০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন।

বাসন থানার ওসি মো. হারুনর রশীদ জানান, এনসিপির নেতারা গাজীপুর চৌরাস্তা রাস্তার মূল পয়েন্টে জানাজার উদ্দ্যোগ নেয়। এ সময় প্রশাসন থেকে বলা হয়, পাশের মসজিদ, ঈদগাহ মাঠ অথবা খেলার মাঠে জানাজা পড়তে। কিন্তু তারা শুনেননি। পরে বাধ্য হয়ে তাদের রাস্তা থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। এ ঘটনায় কেউ আহত হয়নি।

সাটুরিয়ার দিঘলীয়ায় রাস্তা নির্মানে অনিয়মের অভিযোগ !একটু বৃষ্টি হলেই জমে হাটু পানি !

সাটুরিয়া উপজেলা প্রতিনিধিঃ প্রকাশিত: বুধবার, ৪ নভেম্বর, ২০২৬, ৫:৩৪ অপরাহ্ণ
সাটুরিয়ার দিঘলীয়ায় রাস্তা নির্মানে অনিয়মের অভিযোগ !একটু বৃষ্টি হলেই জমে হাটু পানি !

মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া উপজেলার দিঘলীয়া ইউনিয়নের চাচিতারা গ্রামে (৩নং ওয়ার্ড) কালুপাগলার বাড়ী সংলগ্ন রাস্তায় উপজেলা প্রশাসন কর্তৃক- আরসি রোড ঢালাই, ডেইন ও সাইড এংগেল নির্মান নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ (৩নং ওয়ার্ড) করেছেন স্থানীয়রা। প্রায় ৫ লক্ষ টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই কাজে যথাযথ স্থান নির্বাচনেও ভুলের কথা জানিয়েছেন তারা।

স্থানীয়দের অভিযোগ, দর্শনধারী এই অবকাঠামাগত উন্নয়নে স্থায়ী বা ঠিকসই ভাবনায় করা হয়নি। রাস্তার আগ্র-ভাগের গুরুত্বপুর্ন অংশকে বাদ দিয়ে শুধুমাত্র লোক দেখানোর নির্মিত্তে কাজটি করা হয়েছে। যার ফলে একটু বৃষ্টি হলেই রাস্তায় হাঁটুপানি জমে থাকে। এতে রাস্তা দিয়ে গাড়ী ঘোড়া চলাচল তো দূরের কথা পথচারীদের পায়ে হেটেঁ চলাচল দুস্কর হয়ে পড়ে। তাছাড়া পাশ্ববর্তী বাড়ী ঘরের ঢল ও আবর্জন সামান্যতেই রাস্তায় নেমে আসে, ফলে রাস্তার পিচ ইতিমধ্য উঠে গেছে গেছে এবং ছোট ছোট গর্তের সৃষ্টি হয়ে রাস্তাটি চলাচলের জন্য অনুউযোগি হয়ে পড়েছে।

এই ব্যাপারে ৩ নং ওয়ার্ডের সাবেক মেম্বার বাবুল হোসেন জানান, ক্ষতিগ্রস্থ্য রাস্তারটির গুরুত্বপুর্ণ অংশ বাদ দিয়ে কাজ করা হয়েছে। যার ফলে রাস্তার পূর্বাংশের প্রায় ১০ ফুট এলাকা জুড়ে বর্ষা মৌসুমে হাটু পানি জমে থাকে। রাস্তা দিয়ে অটো-ভ্যান রিকসা ও পিকআপসহ পথচারিদেরও চলাচলের মারাত্বক অসুবিধা হয়। তিনি দুঃখ করে বলেন, রাস্তার মাপ-ঝুক করার সময় আমি ইঞ্জিনিয়ার সাহেবকে বিষয়টি বলে ছিলাম কিন্তু অজ্ঞাত কারণে তিনি আমলে নেনি।

রাস্তাটির দুরবস্থা সম্পর্কে কালু-পাগলা দরবারের খাদেম আবু তাহের জানান, রাস্তাটি নিয়ে আমরা বিগত ১৫ বছর যাবৎ ভোগছি। কয়েক বার কাজও এসেছে। কিন্তু সঠিক স্থানে কাজ না হওয়ায় বার বার রাস্তাটি ভেঙ্গে যাচ্ছে। গত কয়েক মাস আগে এখানে প্রায় ৫লক্ষ টাকার কাজ করা হলেও এখনো একটু বৃষ্টি হলেই হাটুপানি জমে থাকে।

তিনি আরো জানান, এটি আমার পীড়বাড়ী সংলগ্ন রাস্তা। রাস্তার এহেন, দুরবস্থায় আমি ব্যক্তিগত টাকা দিয়ে বেশ কয়েকবার রাস্তাটি মেরামত করেছিলাম। এখন আর পরছি না। তাই সরকারের কাছে আবেদন দয়া করে আপনারা এর একটা বিহিত করুন।

এ ব্যাপারে রাস্তা নির্মান কমিটির সভাপতি মোঃ সুজন মেম্বার বলেন, পানি জমাট বা ক্ষতিগ্রস্থ্য স্থানটি আমাদের নিমার্ন কাজের আওতার মধ্য ছিল না। ইঞ্জিনিয়ার কর্তৃক নির্ধারিত স্থানে আমরা যথাযথ ভাবে কাজ করেছি। কাজে শতভাগ স্বচ্ছতা অবলম্বন করা হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, অত্র ওয়ার্ডের মেম্বার হিসাবে আমি এতোটুকু বলতে পারি- সামনে সরকারী বরাদ্দ পেলে এই সমস্যার স্থায়ী সামাধান করবো-ইনশাল্লাহ।

×