সাটুরিয়ার দিঘলীয়ায় রাস্তা নির্মানে অনিয়মের অভিযোগ !একটু বৃষ্টি হলেই জমে হাটু পানি !

সাটুরিয়া উপজেলা প্রতিনিধিঃ প্রকাশিত: বুধবার, ৪ নভেম্বর, ২০২৬, ৫:৩৪ অপরাহ্ণ
সাটুরিয়ার দিঘলীয়ায় রাস্তা নির্মানে অনিয়মের অভিযোগ !একটু বৃষ্টি হলেই জমে হাটু পানি !
১০

মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া উপজেলার দিঘলীয়া ইউনিয়নের চাচিতারা গ্রামে (৩নং ওয়ার্ড) কালুপাগলার বাড়ী সংলগ্ন রাস্তায় উপজেলা প্রশাসন কর্তৃক- আরসি রোড ঢালাই, ডেইন ও সাইড এংগেল নির্মান নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ (৩নং ওয়ার্ড) করেছেন স্থানীয়রা। প্রায় ৫ লক্ষ টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই কাজে যথাযথ স্থান নির্বাচনেও ভুলের কথা জানিয়েছেন তারা।

স্থানীয়দের অভিযোগ, দর্শনধারী এই অবকাঠামাগত উন্নয়নে স্থায়ী বা ঠিকসই ভাবনায় করা হয়নি। রাস্তার আগ্র-ভাগের গুরুত্বপুর্ন অংশকে বাদ দিয়ে শুধুমাত্র লোক দেখানোর নির্মিত্তে কাজটি করা হয়েছে। যার ফলে একটু বৃষ্টি হলেই রাস্তায় হাঁটুপানি জমে থাকে। এতে রাস্তা দিয়ে গাড়ী ঘোড়া চলাচল তো দূরের কথা পথচারীদের পায়ে হেটেঁ চলাচল দুস্কর হয়ে পড়ে। তাছাড়া পাশ্ববর্তী বাড়ী ঘরের ঢল ও আবর্জন সামান্যতেই রাস্তায় নেমে আসে, ফলে রাস্তার পিচ ইতিমধ্য উঠে গেছে গেছে এবং ছোট ছোট গর্তের সৃষ্টি হয়ে রাস্তাটি চলাচলের জন্য অনুউযোগি হয়ে পড়েছে।

এই ব্যাপারে ৩ নং ওয়ার্ডের সাবেক মেম্বার বাবুল হোসেন জানান, ক্ষতিগ্রস্থ্য রাস্তারটির গুরুত্বপুর্ণ অংশ বাদ দিয়ে কাজ করা হয়েছে। যার ফলে রাস্তার পূর্বাংশের প্রায় ১০ ফুট এলাকা জুড়ে বর্ষা মৌসুমে হাটু পানি জমে থাকে। রাস্তা দিয়ে অটো-ভ্যান রিকসা ও পিকআপসহ পথচারিদেরও চলাচলের মারাত্বক অসুবিধা হয়। তিনি দুঃখ করে বলেন, রাস্তার মাপ-ঝুক করার সময় আমি ইঞ্জিনিয়ার সাহেবকে বিষয়টি বলে ছিলাম কিন্তু অজ্ঞাত কারণে তিনি আমলে নেনি।

রাস্তাটির দুরবস্থা সম্পর্কে কালু-পাগলা দরবারের খাদেম আবু তাহের জানান, রাস্তাটি নিয়ে আমরা বিগত ১৫ বছর যাবৎ ভোগছি। কয়েক বার কাজও এসেছে। কিন্তু সঠিক স্থানে কাজ না হওয়ায় বার বার রাস্তাটি ভেঙ্গে যাচ্ছে। গত কয়েক মাস আগে এখানে প্রায় ৫লক্ষ টাকার কাজ করা হলেও এখনো একটু বৃষ্টি হলেই হাটুপানি জমে থাকে।

তিনি আরো জানান, এটি আমার পীড়বাড়ী সংলগ্ন রাস্তা। রাস্তার এহেন, দুরবস্থায় আমি ব্যক্তিগত টাকা দিয়ে বেশ কয়েকবার রাস্তাটি মেরামত করেছিলাম। এখন আর পরছি না। তাই সরকারের কাছে আবেদন দয়া করে আপনারা এর একটা বিহিত করুন।

এ ব্যাপারে রাস্তা নির্মান কমিটির সভাপতি মোঃ সুজন মেম্বার বলেন, পানি জমাট বা ক্ষতিগ্রস্থ্য স্থানটি আমাদের নিমার্ন কাজের আওতার মধ্য ছিল না। ইঞ্জিনিয়ার কর্তৃক নির্ধারিত স্থানে আমরা যথাযথ ভাবে কাজ করেছি। কাজে শতভাগ স্বচ্ছতা অবলম্বন করা হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, অত্র ওয়ার্ডের মেম্বার হিসাবে আমি এতোটুকু বলতে পারি- সামনে সরকারী বরাদ্দ পেলে এই সমস্যার স্থায়ী সামাধান করবো-ইনশাল্লাহ।