বুধবার, ৪ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩
বুধবার, ৪ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩
শিরোনাম:
ভালুকায় স্কুলের নির্মাণসামগ্রী বিক্রির টাকায় প্রমোদভ্রমণ!ভালুকায় সাত বছরের শিশু ছাত্রীকে ধ/র্ষ/ণ চেষ্টায় আটক ১আশুলিয়া ধামসোনার ইউপি সচিব মাসুদ করিম বদলি: দুর্নীতি ও স্বাক্ষর জালিয়াতির অভিযোগে সাত কার্যদিবসে তদন্ত শেষরাঙ্গামাটির বাঘাইছড়ি সাজেকে দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি অবরোধ চলছেসরকারের উন্নয়ন কার্যক্রম প্রচারে লামায় নারী সমাবেশ, ডেঙ্গু প্রতিরোধে ভিডিওচিত্র প্রদর্শনী।মোহনপুর থানার নবাগত ওসির দায়িত্ব গ্রহণ: “মাদক নির্মূল ও হয়রানিমুক্ত পুলিশিং আমাদের অঙ্গীকার”ধুনটে ব্যক্তিগত উদ্যোগে বেহাল সড়ক সংস্কার করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী দুলালগাজীপুরে এনসিপির আয়োজিত গায়েবানা জানাজায় ধাওয়া দিলো পুলিশসাটুরিয়ার দিঘলীয়ায় রাস্তা নির্মানে অনিয়মের অভিযোগ !একটু বৃষ্টি হলেই জমে হাটু পানি !ধুনটে পৃথক বিস্ফোরক মামলায় আ.লীগ ও যুবলীগ নেতা গ্রেফতারলামায় সরকারের উন্নয়ন কার্যক্রম নিয়ে নারী সমাবেশ, ডেঙ্গু প্রতিরোধে ভিডিওচিত্র প্রদর্শনীরাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের বাস্তবায়নে নানিয়ারচরে ২৪০ যুবক-যুবতীকে প্রশিক্ষণের জন্য বাছাইবান্দরবানে উন্নয়ন ব্যাহত; ইট কিনতে বাড়তি টাকা গুনছেন বান্দরবানবাসীদৃষ্টিপ্রতিবন্ধকতাকে বুড়ো আঙুল: বান্দরবানের অদম্য ইমতিয়াজের এইচএসসিতে অনন্য জয়যাত্রাটঙ্গীতে গার্মেন্টস শ্রমিক অসন্তোষের নামে নৈরাজ্যের প্রতিবাদে বিএনপির অবস্থান কর্মসূচি

রাজশাহীতে ফ্ল্যাটে নারীসহ ওসি আটক, ধরিয়ে দিলেন ‘ষষ্ঠ স্ত্রী’

নিজস্ব প্রতিবেদক : প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:৫৪ অপরাহ্ণ
রাজশাহীতে ফ্ল্যাটে নারীসহ ওসি আটক, ধরিয়ে দিলেন ‘ষষ্ঠ স্ত্রী’
৪৭

রাজশাহীতে একটি ফ্ল্যাট থেকে মাহবুব আলম নামে এক থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এক নারীসহ আটক হয়েছেন। নগরীর নাদের হাজির মোড় এলাকার একটি ফ্ল্যাটে শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) এ ঘটনা ঘটে। পরে ওই ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।

 

শুক্রবার সকাল ৭টা থেকে প্রায় দুই ঘণ্টা ধরে ডাকাডাকি করেও ফ্ল্যাটের দরজা খোলা হয়নি। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা সেখানে উপস্থিত হন। ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে পুলিশকেও খবর দেওয়া হয়। পরে পুলিশ কর্মকর্তা মাহবুব আলম ও ওই নারীকে নগরীর চন্দ্রিমা থানায় নিয়ে যায়।

 

জানা গেছে, মাহবুব আলম ২০২৪ সালে চন্দ্রিমা থানার ওসি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। সে সময় এক ব্যক্তির কাছ থেকে খাম নেওয়ার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তাকে চন্দ্রিমা থানা থেকে প্রত্যাহার করা হয়। পরে তিনি নওগাঁ জেলা পুলিশে কর্মরত ছিলেন।

 

নওগাঁ জেলা পুলিশে কর্মরত থাকা অবস্থায় মাহবুব আলমের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা হয়। এরপর তাকে সিরাজগঞ্জ ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারে সংযুক্ত করা হয়। তবে প্রশিক্ষণকেন্দ্র থেকে কোনো ছুটি বা অনুমতি না নিয়েই তিনি রাজশাহীতে এসেছিলেন বলে জানিয়েছেন কেন্দ্রটির কমান্ড্যান্ট।

 

নারীসহ আটক হওয়া মাহবুব আলমের কথিত পালিত মেয়ের নামে নাদের হাজির মোড়ের ওই ফ্ল্যাটটি ভাড়া নেওয়া হয়েছে। সেখানে তার মেয়ে ও জামাই থাকেন। তবে বৃহস্পতিবার রাত থেকে ওই ফ্ল্যাটে মাহবুব আলম ও ওই নারী অবস্থান করছিলেন। ওই নারী সাংবাদিকদের সঙ্গে কোনো কথা বলেননি।

 

মাহবুব আলম দাবি করেন, ওই নারী তার স্ত্রী। তবে এ দাবির পক্ষে তিনি কোনো কাবিননামা দেখাতে পারেননি। অন্যদিকে ফ্ল্যাটের বাইরে অবস্থান নেওয়া আন্নি আক্তার নিজেকে মাহবুব আলমের ষষ্ঠ স্ত্রী বলে দাবি করেন। মাহবুবের দাবি, আন্নিকে চারদিন আগে তিনি তালাক দিয়েছেন।

 

নওগাঁর বাসিন্দা আন্নি আক্তার একজন নারী উদ্যোক্তা ও কনটেন্ট নির্মাতা। তার অভিযোগ, চলতি বছরের শুরুতে মাহবুব তাকে বিয়ে করেন। বিয়ের পর তিনি জানতে পারেন, মাহবুব যে জেলায় যান, সেখানেই বিয়ে করেন এবং একাধিক নারীর সঙ্গে তার অনৈতিক সম্পর্ক রয়েছে।

 

আন্নি জানান, রাজশাহীর পদ্মা আবাসিক এলাকায় মাহবুবের নিজস্ব একটি ফ্ল্যাট রয়েছে। এর আগে সেখানে মাহবুবের সঙ্গে ওই নারীকে দুদিন পেয়েছিলেন তিনি। তখন সামাজিক ও পারিবারিক সম্মানের কথা বিবেচনা করে বিষয়টি প্রকাশ করেননি।

 

আন্নির ভাষ্য, বৃহস্পতিবার রাতে তিনি জানতে পারেন, মাহবুব তার কথিত পালিত মেয়ের ভাড়া নেওয়া ফ্ল্যাটে গেছেন এবং সেখানে ওই নারীও রয়েছেন। খবর পেয়ে শুক্রবার সকাল ৭টায় তিনি ওই ফ্ল্যাটে যান। দরজায় কড়া নাড়লেও ভেতর থেকে কোনো সাড়া না পেয়ে তিনি ৯৯৯ নম্বরে ফোন করেন।

 

পরে চন্দ্রিমা থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। তবে ভেতরে মাহবুব রয়েছেন জানতে পেরে পুলিশ দরজা ভাঙেনি বলে দাবি করেন আন্নি। পরে তিনি ফায়ার সার্ভিসে খবর দেন। ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে এসে দরজা ভেঙে দেন।

 

আন্নির দাবি, এর মধ্যে দুই ঘণ্টারও বেশি সময় মাহবুব ও ওই নারী ভেতর থেকে ছিটকিনি লাগিয়ে ছিলেন। পুলিশ ফোন করে দরজা খুলতে বললেও মাহবুব দরজা খোলেননি। দরজা খোলার পর মাহবুব ওই নারীকে তার স্ত্রী হিসেবে পরিচয় দেন। পরে পুলিশ দুজনকে থানায় নিয়ে যায়।

 

থানায় নেওয়ার সময় মাহবুব সাংবাদিকদের বলেন, তিনি আন্নিকে তালাক দিয়েছেন। পুলিশের কাছে তালাকের একটি কাগজও জমা দিয়েছেন বলে জানান তিনি। তবে ওই নারীর সঙ্গে বিয়ের কাবিননামা তিনি দেখাতে পারেননি।

 

পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, চারদিন আগে আন্নিকে তালাক দেওয়ার একটি কাগজ মাহবুব আলম দিয়েছেন। তবে আন্নি জানিয়েছেন, তিনি তালাকের কোনো কাগজ হাতে পাননি।

 

এ ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ করার কথা জানিয়েছেন আন্নি। শুক্রবার দুপুরে অভিযোগ লেখার কাজ শুরু হয়। এ সময় মাহবুব আলম ও ওই নারীকে থানার পৃথক দুটি কক্ষে রাখা হয়। মাহবুবের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির দাবিও জানান আন্নি।

 

চন্দ্রিমা থানার ওসি মনিরুল ইসলাম ছুটিতে থাকায় থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মাহমুদ সিদ্দিকী বলেন, মাহবুব আলম ও ওই নারীর বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তারা থানায় আসবেন। এরপর এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

 

সিরাজগঞ্জ ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারের কমান্ড্যান্ট মোস্তাক আহমেদ বলেন, তিনি ঘটনাটি জেনেছেন। মাহবুব আলমের কোনো ছুটি নেই এবং কাউকে জানিয়েও তিনি রাজশিয়ায় যাননি। অনুমতি ছাড়া কর্মস্থল ত্যাগ করাও অপরাধ।

 

তিনি বলেন, মাহবুব আলম ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারে সংযুক্ত থাকলেও নওগাঁ জেলা পুলিশে কর্মরত। বিষয়টি নওগাঁ জেলা পুলিশকে জানানো হয়েছে। তারা বিভাগীয় ব্যবস্থা নেবে।

ভালুকায় স্কুলের নির্মাণসামগ্রী বিক্রির টাকায় প্রমোদভ্রমণ!

রাজু আহমেদ স্টাফ রিপোর্টার ​ভালুকা (ময়মনসিংহ) প্রকাশিত: বুধবার, ৪ নভেম্বর, ২০২৬, ৯:১৩ অপরাহ্ণ
ভালুকায় স্কুলের নির্মাণসামগ্রী বিক্রির টাকায় প্রমোদভ্রমণ!

ময়মনসিংহের ভালুকায় সোনার বাংলা স্কুল অ্যান্ড কলেজের কয়েক লাখ টাকার অব্যবহৃত নির্মাণসামগ্রী নামমাত্র মূল্যে গোপনে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকসহ কয়েকজন শিক্ষকের বিরুদ্ধে। পরিচালনা কমিটির সিদ্ধান্ত ও প্রকাশ্য নিলাম ছাড়াই এই মালামাল বিক্রি করে সেই অর্থেই শিক্ষকদের আনন্দভ্রমণের আয়োজন করা হয়েছে বলে স্থানীয়রা অভিযোগ তুলেছেন।

​স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি হবিরবাড়ী ইউনিয়নের ওই বিদ্যালয়ের নির্মাণকাজে বেঁচে যাওয়া প্রায় ৫ থেকে ৬ লাখ টাকা মূল্যের ইটের খোয়া ও রড মাত্র ৭০ হাজার টাকায় বিক্রি করা হয়। বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মুজাহিদুল ইসলাম মল্লিক নিজেই ক্রেতা সেজে এসব মালামাল কিনে নিজের বাড়িতে নিয়ে যান। নিয়মবহির্ভূতভাবে নামমাত্র দামে বিদ্যালয়ের সম্পদ বিক্রির এই ঘটনায় এলাকায় তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

​অভিযুক্ত সহকারী শিক্ষক মুজাহিদুল ইসলাম মল্লিক নিয়ম মেনেই মালামাল কেনার দাবি করলেও কোনো দরপত্র বা ডাকের প্রমাণপত্র দেখাতে পারেননি। ​বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নুরুল ইসলাম মানিক বিধি মোতাবেক মালামাল বিক্রির দাবি করলেও পরিচালনা কমিটির অনুমোদন বা এসংক্রান্ত কোনো সদুত্তর দেননি।

​এ বিষয়ে ভালুকা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফিরোজ হোসেন জানান, অভিযোগটি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তে অনিয়মের প্রমাণ মিললে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও জানিয়েছেন তিনি।

ভালুকায় সাত বছরের শিশু ছাত্রীকে ধ/র্ষ/ণ চেষ্টায় আটক ১

রাজু আহমেদ (স্টাফ রিপোর্টার,ময়মনসিংহ) প্রকাশিত: বুধবার, ৪ নভেম্বর, ২০২৬, ৯:০৯ অপরাহ্ণ
ভালুকায় সাত বছরের শিশু ছাত্রীকে ধ/র্ষ/ণ চেষ্টায় আটক ১

ময়মনসিংহের ভালুকায় সাত বছরের শিশু ছাত্রীকে ধর্ষণ চেষ্টার ঘটনায় মোহাম্মদ আলী নামের এক মাদ্রাসা শিক্ষককে আটক করেছে ভালুকা মডেল থানা পুলিশ। মঙ্গলবার রাতে উপজেলার হবিরবাড়ীর কাশর চৌরাস্তা এলাকায় মাদ্রাসাতুত তাকওয়া নামে একটি কওমি মাদ্রাসা থেকে তাকে আটক করা হয়। ভালুকা মডেল থানার ওসি জাহিদুল ইসলাম জানান, অভিযুক্তকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ঘটনার কথা স্বীকার করেছেন। ঘটনার পর ওই মাদ্রাসা থেকে বিভিন্ন ধরনের যৌন উত্তেজক হালুয়া, তন্ত্রমন্ত্রের করা, জাদুকরী বই, শতাধিক গ্রাহকের মন্ত্র লেখা ছবি ও তাবিজ সহ বিভিন্ন সরঞ্জামাদি জব্দ করা হয়। এ ঘটনায় অভিযুক্ত শিক্ষক জানান, মাদ্রাসা পরিচালক হাফেজ ক্বারী আনিসুর রহমান সিদ্দিকী মাদ্রাসায় নাম মাত্র শিক্ষাদানের পাশাপাশি বিভিন্ন ভুক্তভোগী এনে কবিরাজি চিকিৎসা ও বিভিন্ন অসামাজিক কাজ করতো। এ ঘটনায় মেয়ের বাবাা বাদী হয়ে মামলা রুজু করলে আসামিকে জেল হাজতে প্রেরণ করেন আটক হওয়া শিক্ষক বাগেরহাটের কচুয়া এলাকার রফিকুল ইসলামের ছেলে। সে ওই মাদ্রাসায় বাংলা বিভাগের শিক্ষক ছিলেন।

আশুলিয়া ধামসোনার ইউপি সচিব মাসুদ করিম বদলি: দুর্নীতি ও স্বাক্ষর জালিয়াতির অভিযোগে সাত কার্যদিবসে তদন্ত শেষ

নাজমুল হাসান নাজির সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার প্রকাশিত: বুধবার, ৪ নভেম্বর, ২০২৬, ৯:০৪ অপরাহ্ণ
আশুলিয়া ধামসোনার ইউপি সচিব মাসুদ করিম বদলি: দুর্নীতি ও স্বাক্ষর জালিয়াতির অভিযোগে সাত কার্যদিবসে তদন্ত শেষ

​দুর্নীতি ও ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসকের স্বাক্ষর জালিয়াতির গুরুতর অভিযোগে অবশেষে আশুলিয়ার ধামসোনা ইউনিয়ন পরিষদের সচিব মাসুদ করিমকে বদলি করা হয়েছে। গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর নড়েচড়ে বসে প্রশাসন। এরপর গঠিত তদন্ত কমিটির সাত কার্যদিবসের মধ্যে অভিযোগের সত্যতা মিললে তাকে দ্রুত নতুন কর্মস্থলে পদায়ন করা হয়।

​গত ৩ নভেম্বর ২০২৬ তারিখে তাকে ঢাকার ধামরাই উপজেলার ভাড়ারিয়া ইউনিয়ন পরিষদে বদলি করা হয় বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে নিশ্চিত করা হয়েছে।
​অভিযোগ ও তদন্ত প্রক্রিয়া
​সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ধামসোনা ইউনিয়ন পরিষদের সচিব মাসুদ করিমের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম, দুর্নীতি এবং খোদ ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসকের স্বাক্ষর জালিয়াতির সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ওঠে। এসব অভিযোগ নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে অনুসন্ধানী সংবাদ প্রকাশিত হলে স্থানীয় প্রশাসন ও মহলে তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
​সংবাদ প্রকাশের পর বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে আমলে নিয়ে একটি উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। দীর্ঘ সাত কার্যদিবস ধরে চলা এই তদন্তে তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগগুলোর প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া যায়। এর ফলশ্রুতিতে গত ৩ নভেম্বর তাকে ধামসোনা ইউনিয়ন পরিষদ থেকে সরিয়ে ধামরাই উপজেলার ভাড়ারিয়া ইউনিয়ন পরিষদে বদলি করা হয়।

×