বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩
শিরোনাম:
কসবায় বসতবাড়িতে অভিযান, ২৯ কেজি গাঁজাসহ গ্রেপ্তার ১ব্রাহ্মণবাড়িয়া ডিসি অফিসে একযোগে ৫৬ জনের বদলি: বহাল সিন্ডি/কেট চক্রধুনটে ৭ নভেম্বরের গণজমায়েত সফল করতে মাঠে বিএনপি নেতারাসিংগাইরে গাঁজাসহ আটক, ভ্রাম্যমাণ আদালতে ৩ মাসের কারাদণ্ডরাজধানীর উত্তরখানে ভূমি সেবা নিতে এসে ভোগান্তি, ৪৫ হাজার টাকা দাবির অভিযোগভালুকায় স্কুলের নির্মাণসামগ্রী বিক্রির টাকায় প্রমোদভ্রমণ!ভালুকায় সাত বছরের শিশু ছাত্রীকে ধ/র্ষ/ণ চেষ্টায় আটক ১আশুলিয়া ধামসোনার ইউপি সচিব মাসুদ করিম বদলি: দুর্নীতি ও স্বাক্ষর জালিয়াতির অভিযোগে সাত কার্যদিবসে তদন্ত শেষরাঙ্গামাটির বাঘাইছড়ি সাজেকে দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি অবরোধ চলছেসরকারের উন্নয়ন কার্যক্রম প্রচারে লামায় নারী সমাবেশ, ডেঙ্গু প্রতিরোধে ভিডিওচিত্র প্রদর্শনী।মোহনপুর থানার নবাগত ওসির দায়িত্ব গ্রহণ: “মাদক নির্মূল ও হয়রানিমুক্ত পুলিশিং আমাদের অঙ্গীকার”ধুনটে ব্যক্তিগত উদ্যোগে বেহাল সড়ক সংস্কার করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী দুলালগাজীপুরে এনসিপির আয়োজিত গায়েবানা জানাজায় ধাওয়া দিলো পুলিশসাটুরিয়ার দিঘলীয়ায় রাস্তা নির্মানে অনিয়মের অভিযোগ !একটু বৃষ্টি হলেই জমে হাটু পানি !ধুনটে পৃথক বিস্ফোরক মামলায় আ.লীগ ও যুবলীগ নেতা গ্রেফতার

প্রিজন ভ্যান থেকে আসামি গায়েব: পুলিশের মিথ্যাচার ফাঁস, গ্রেপ্তার ২

মোঃ নজরুল ইসলাম, গাজীপুর মহানগর প্রতিনিধি প্রকাশিত: সোমবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:৫৮ অপরাহ্ণ
প্রিজন ভ্যান থেকে আসামি গায়েব: পুলিশের মিথ্যাচার ফাঁস, গ্রেপ্তার ২
৬০

গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে আদালতে হাজিরা শেষে ফেরার পথে চাঞ্চল্যকরভাবে পালিয়ে যাওয়া শীর্ষ মাদক কারবারি রাজা ওরফে ‘পিচ্চি রাজা’র (৩০) পলায়ন রহস্যে নতুন মোড় নিয়েছে। পুলিশের প্রাথমিক দাবির বিপরীতে তদন্ত কমিটির অনুসন্ধানে বেরিয়ে এসেছে এক চাঞ্চল্যকর তথ্য। জানা গেছে, পিচ্চি রাজা গাজীপুরের বাইমাইল বা নাওজোড় এলাকা থেকে নয়, বরং খোদ রাজধানী ঢাকার তাঁতীবাজার এলাকা থেকেই প্রিজন ভ্যান থেকে সুকৌশলে পালিয়েছে। এ ঘটনায় দায়িত্ব পালনে চরম অবহেলা এবং আসামিকে পালিয়ে যেতে সহায়তা করার সুনির্দিষ্ট অভিযোগে প্রিজন ভ্যানের দায়িত্বে থাকা পাঁচজন পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে কঠোর বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। এদের মধ্যে ইতিমধ্যেই দুইজনকে আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা হয়েছে।

গত ২৭ সেপ্টেম্বর সকালে কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে পিচ্চি রাজাসহ মোট ৩০ জন হাজতি আসামিকে প্রিজন ভ্যানে করে ঢাকার মেট্রোপলিটন আদালতে হাজিরার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। পুলিশের সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, আদালতে আইনি কার্যক্রম শেষে কড়া নিরাপত্তায় আসামিদের পুনরায় গাজীপুরের কাশিমপুর কারাগারে ফিরিয়ে আনার পথে এই চাঞ্চল্যকর পলায়নের ঘটনা ঘটে। ঘটনার পরপরই প্রিজন ভ্যানের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা পুলিশ সদস্যরা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে দাবি করেছিলেন যে, গাজীপুরের নাওজোড় বা বাইমাইল এলাকায় পৌঁছানোর পর পিচ্চি রাজাকে শৌচকর্মের জন্য ভ্যান থেকে নিচে নামানো হয়েছিল এবং ঠিক সেই সুযোগটি কাজে লাগিয়ে সে দৌড়ে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে বাকি ২৯ জন আসামিকে নিরাপদে কাশিমপুর কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়।

তবে পুলিশের এই বানোয়াট দাবির পর গঠিত তদন্ত ও পর্যবেক্ষণ কমিটির নিবিড় জিজ্ঞাসাবাদে বেরিয়ে আসে আসল সত্য। জিজ্ঞাসাবাদে পাহারার দায়িত্বে থাকা পুলিশ সদস্যদের বক্তব্যে পদে পদে মারাত্মক অসঙ্গতি ধরা পড়ে। আসামি ঠিক কোন স্থান থেকে পালিয়েছে, সে বিষয়েও তারা বিভিন্ন সময়ে পরস্পরবিরোধী ও ভিন্ন ভিন্ন তথ্য প্রদান করেন। তদন্তের একপর্যায়ে প্রযুক্তির ব্যবহার ও সার্বিক বিশ্লেষণে নিশ্চিত হওয়া যায় যে, গাজীপুরে প্রবেশের অনেক আগেই ঢাকার তাঁতীবাজার এলাকা থেকেই পিচ্চি রাজা প্রিজন ভ্যান থেকে উধাও হয়ে যায়। এ ঘটনায় গ্রেপ্তার হওয়া দুজন পুলিশ সদস্য হলেন প্রিজন ভ্যানের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা উপ-পরিদর্শক (এসআই) প্রবীর কুমার এবং চালক নায়েক কামাল হোসেন।

এই পুরো ঘটনার সার্বিক দিক নিয়ে কথা বলেছেন পর্যবেক্ষণ কমিটির প্রধান ও গাজীপুর মহানগর পুলিশের উপপুলিশ কমিশনার (সিটি এসবি) মোহাম্মদ মহিউল ইসলাম। তিনি জানান, সাময়িক বরখাস্ত হওয়া অভিযুক্ত পাঁচ পুলিশ সদস্যকে নানাভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা অব্যাহত রয়েছে। কিন্তু তারা এখনও প্রকৃত সত্য আড়াল করার চেষ্টা করছেন এবং সঠিক তথ্য দিচ্ছেন না। যে স্থান থেকে আসামি পালানোর কথা তারা প্রাথমিকভাবে উল্লেখ করেছিলেন, তদন্তে সেটি সম্পূর্ণ মিথ্যা বলে প্রমাণিত হয়েছে। ইতিমধ্যেই অভিযুক্ত পাঁচ পুলিশ সদস্যকে সাময়িক বরখাস্ত করে তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা রুজু করা হয়েছে। পর্যবেক্ষণ ও বিস্তারিত তদন্ত কার্যক্রম শেষ হলে পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন দাখিল করে তাদের বিরুদ্ধে পরবর্তী কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এদিকে, ঘটনার প্রায় এক সপ্তাহ পার হয়ে গেলেও পলাতক পিচ্চি রাজাকে এখনও পর্যন্ত গ্রেপ্তার করতে পারেনি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। ঘটনার পর কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার-১-এর জেলার জাহাঙ্গীর আলম জানিয়েছিলেন, পিচ্চি রাজাকে দ্রুততম সময়ের মধ্যে পুনরায় গ্রেপ্তারের জন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর যৌথ অভিযান ব্যাপকভাবে জোরদার করা হয়েছে। পুলিশের তথ্যভাণ্ডার অনুযায়ী, পিচ্চি রাজা রাজধানীর মোহাম্মদপুর এলাকার একজন শীর্ষ ও চিহ্নিত মাদক কারবারি। তার বিরুদ্ধে মোহাম্মদপুর থানাসহ রাজধানীর বিভিন্ন থানায় মাদক ব্যবসা, অবৈধ অস্ত্র রাখা ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের অভিযোগে প্রায় ২৫টি মামলা বিচারাধীন রয়েছে।

 আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কড়া প্রহরার মধ্যে একটি সুরক্ষিত প্রিজন ভ্যান থেকে শীর্ষ একজন অপরাধীর পালিয়ে যাওয়ার ঘটনা জনমনে নিরাপত্তা নিয়ে গভীর উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে। আসামির পলায়নের চেয়েও পাহারার দায়িত্বে থাকা পুলিশ সদস্যদের মিথ্যাচার ও দায়িত্বে চরম অবহেলা বেশি হতাশাজনক। এই ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে দোষী পুলিশ সদস্যদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার পাশাপাশি পলাতক পিচ্চি রাজাকে অবিলম্বে গ্রেপ্তার করা এখন সময়ের সবচেয়ে বড় দাবি।

কসবায় বসতবাড়িতে অভিযান, ২৯ কেজি গাঁজাসহ গ্রেপ্তার ১

মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম আমিন উপজেলা প্রতিনিধি আখাউড়া প্রকাশিত: বুধবার, ৪ নভেম্বর, ২০২৬, ১১:১৪ অপরাহ্ণ
কসবায় বসতবাড়িতে অভিযান, ২৯ কেজি গাঁজাসহ গ্রেপ্তার ১

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় বসতবাড়িতে অভিযান চালিয়ে ২৯ কেজি গাঁজাসহ জামাল মিয়া (৪৮) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

বুধবার (৪ নভেম্বর) ভোর সাড়ে ৪টার দিকে উপজেলার ১০ নম্বর বায়েক ইউনিয়নের ছোট বায়েক মধ্যপাড়া এলাকায় তাঁর নিজ বসতবাড়িতে অভিযান চালিয়ে এসব গাঁজা উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কসবা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. আব্দুর রহিম সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে অভিযান পরিচালনা করেন। এ সময় জামাল মিয়ার কাছ থেকে ২৯ কেজি গাঁজা উদ্ধার করে জব্দ করা হয়।

কসবা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলী মোহাম্মদ রাশেদ জানান, গ্রেপ্তার জামাল মিয়া ছোট বায়েক মধ্যপাড়া এলাকার মৃত তাজুল ইসলামের ছেলে। এ ঘটনায় তাঁর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া ডিসি অফিসে একযোগে ৫৬ জনের বদলি: বহাল সিন্ডি/কেট চক্র

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি প্রকাশিত: বুধবার, ৪ নভেম্বর, ২০২৬, ১০:৫৩ অপরাহ্ণ
ব্রাহ্মণবাড়িয়া ডিসি অফিসে একযোগে ৫৬ জনের বদলি: বহাল সিন্ডি/কেট চক্র

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে একযোগে ৫৬ জন চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীকে বদলি করা হয়েছে। এ ঘটনায় প্রশাসনের অভ্যন্তরে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। এই বদলিকে কেন্দ্র করে সাধারণ কর্মচারীদের মধ্যে আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তা কাউছার আহমেদ ও জেলা নাজির আরিফুর রহমানের কথিত প্রভাববলয় বা ‘কাউছার-আরিফ সিন্ডিকেটের’ বাইরে থাকা কর্মচারীদেরই মূলত বদলির মুখে পড়তে হয়েছে। অন্যদিকে, তাঁদের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত কয়েকজন কর্মচারী আগের কর্মস্থলেই বহাল রয়েছেন।

সোমবার (২ নভেম্বর) জেলা প্রশাসনের নেজারত শাখা থেকে জারি করা আদেশে দপ্তরি, অফিস সহায়ক ও প্রসেস সার্ভার পদে কর্মরত মোট ৫৬ জনকে একযোগে বদলি করা হয়। বদলির তালিকায় রয়েছেন ৬ জন দপ্তরি, ২৬ জন অফিস সহায়ক এবং ২৪ জন প্রসেস সার্ভার। আগামী ৮ নভেম্বর পূর্বাহ্ণে বদলিকৃত কর্মস্থলে তাঁদের যোগদানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

একই দিনে এত বিপুলসংখ্যক কর্মচারীর বদলির ঘটনায় প্রশ্ন উঠেছে কী কারণে এবং কোন প্রশাসনিক বিবেচনায় এই গণবদলির সিদ্ধান্ত নেওয়া হলো। বদলির ক্ষেত্রে সবার জন্য সমান নীতি অনুসরণ করা হয়েছে কি না, তা নিয়েও দেখা দিয়েছে বদলি হওয়া কর্মচারীদের মধ্যে অসন্তোষ।

কর্মচারীদের একাংশের অভিযোগ, প্রশাসনিক কর্মকর্তা কাউছার আহমেদ ও জেলা নাজির আরিফুর রহমানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে এমন কয়েকজন কর্মচারীকে কৌশলে আগের কর্মস্থলে বহাল রাখা হয়েছে। এমনকি তাঁদের অন্যত্র বদলি দেখানো হলেও বাস্তবে আগের জায়গায় কাজ করার সুযোগ রাখা হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

অভিযোগে যাঁদের নাম উঠে এসেছে, তাঁদের মধ্যে রয়েছেন দপ্তরি হেলিম মৃধা, সুশান্ত রায়। অফিস সহায়ক পুলক চন্দ্র রায়, সুহেল আহমেদ ও সেন্টু লাল দাস এবং প্রসেস সার্ভার ইসমাইল মিয়া, মো. নজরুল ইসলাম, নোয়াব মিয়া, মানিক মিয়া, রফিকুল ইসলাম, রতন মিয়া, হাবিবুর রহমান ও আলী আক্কাসসহ আরও অনেকেই।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের একজন কর্মচারী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, আমাদের অফিস চলে এখন কাউছার-আরিফের কথায়। তাঁদের কথায় স্যাররা রাতকে দিন, দিনকে রাত করেন। সাধারণ কর্মচারীদের দুঃখ-দুর্দশা বোঝার যেন কেউ নেই। কারও সঙ্গে সু-সম্পর্ক থাকলে তাঁর জন্য এক নিয়ম, আর সাধারণ কর্মচারীদের জন্য আরেক নিয়ম। এই পরিস্থিতিতে আমরা আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছি।
ওই কর্মচারীর অভিযোগ, বদলি নিয়ে এক ধরনের প্রভাব বিস্তার ও বাণিজ্যের পরিবেশ তৈরি হয়েছে।

কর্মচারীদের একাংশের প্রশ্ন, প্রশাসনিক কর্মকর্তা কাউছার আহমেদ প্রায় ২১ বছর ধরে একই জেলায় এবং জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে কর্মরত রয়েছেন। অন্যদিকে জেলা নাজির আরিফুর রহমান আরিফের কর্মকালও প্রায় ৭-৮ বছর বলে জানা গেছে।

দীর্ঘদিন একই কার্যালয়ে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে থাকার কারণে তাঁদের প্রভাববলয় তৈরি হয়েছে কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলছেন কর্মচারীদের কেউ কেউ। তাঁদের দাবি, প্রশাসনের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে দীর্ঘদিন একই কর্মস্থলে দায়িত্ব পালনের বিষয়টিও পর্যালোচনা করা প্রয়োজন।

প্রশাসনিক কর্মকর্তা কাউছার আহমেদের বিরুদ্ধে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়, চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয় ও দুর্নীতি দমন কমিশনে একাধিক অভিযোগ দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেছেন সংশ্লিষ্ট সূত্র। এ ছাড়া বিভিন্ন গণমাধ্যমেও তাঁকে নিয়ে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে বলে জানা গেছে।

অন্যদিকে জেলা নাজির আরিফুর রহমানের বিরুদ্ধেও দীর্ঘদিন যাবৎ একই কার্যালয়ে কর্মরত থাকা এবং প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ তুলেছেন কর্মচারীদের একটি বড় অংশ।

জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানে বদলি ও পদায়নের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা, নিরপেক্ষতা এবং প্রশাসনিক নিয়মনীতি অনুসরণ করা অত্যন্ত জরুরি বলে মনে করছেন বদলির একাংশ। একই দিনে ৫৬ জন কর্মচারীর বদলি এবং কিছু কর্মচারীকে ঘিরে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ ওঠায় বিষয়টি খতিয়ে দেখার দাবি উঠেছে।

এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক আবু সাঈদ বলেন, বদলি একটি সাধারণ নিয়ম এবং এই নিয়মেই হয়েছে। দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ উঠা ব্যক্তিদের বিষয়ে তিনি বলেন ধাপে ধাপে এদেরকেও বদলি করা হবে।

ধুনটে ৭ নভেম্বরের গণজমায়েত সফল করতে মাঠে বিএনপি নেতারা

গোবিন্দ রায়, ধুনট (বগুড়া) প্রতিনিধি: প্রকাশিত: বুধবার, ৪ নভেম্বর, ২০২৬, ১০:৪৮ অপরাহ্ণ
ধুনটে ৭ নভেম্বরের গণজমায়েত সফল করতে মাঠে বিএনপি নেতারা

জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আগামী ৭ নভেম্বর বগুড়ার ধুনটে গণজমায়েত সফল করতে প্রস্তুতি জোরদার করেছে উপজেলা ও পৌর বিএনপি। এ উপলক্ষে আলোচনা সভা শেষে গণজমায়েতের নির্ধারিত স্থান কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার চত্বর পরিদর্শন করেছেন দলটির নেতৃবৃন্দ।

বুধবার (৪ নভেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে ধুনট কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার চত্বরে এ পরিদর্শন করা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বগুড়া জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও ধুনট উপজেলা বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব একেএম তৌহিদুল আলম মামুন এবং জেলা বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য ও পৌর বিএনপির সভাপতি আলিমুদ্দিন হারুন মণ্ডল।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল মুনছু আহম্মেদ পাশা, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাহবুব হোসেন চঞ্চল, পৌর বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি ছানোয়ার হোসেন, পৌর বিএনপির সাবেক ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মোখফিজুর রহমান বাচ্চু, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক সাইফুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক মুনজিল হোসেন, পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক কামরুল হাসানসহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

×