বুধবার, ৪ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩
বুধবার, ৪ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩
শিরোনাম:
সিংগাইরে ভূমি জরিপে ঘু*ষ বাণিজ্যের অভিযোগদীঘিনালা সীমান্তে বিজিবি-বিএসএফের উচ্চপর্যায়ের সৌজন্য বৈঠক অনুষ্ঠিত সীমান্ত হত্যা বন্ধ, অবৈধ অনুপ্রবেশ ও ১৫০ গজের মধ্যে অবকাঠামো নির্মাণ নিয়ে আলোচনাগাজীপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হিসেবে পুনরায় দায়িত্ব পেলেন নুরুল ইসলাম বিএসসিগাজীপুরে অভিযানে গিয়ে পিস্তল হারালেন এসআইশ্রমিক বিক্ষোভ ঘিরে সতর্ক আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, মাঠে বিএনপিবন্ধু মানেই আত্মার সম্পর্ক: কুষ্টিয়ার প্রবীণ সাংবাদিক তাজমুল আলম তাজু ভাইয়ের আমন্ত্রণে আশরাফ সরকারের আতিথেয়তা ও ভালোবাসার চার দিনগাজীপুরের শ্রীপুরে প্রায় ৮ লাখ টাকার বিদেশি মদসহ প্রাইভেটকার জব্দ, গ্রেফতার ১বগুড়া শেরপুরে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্যপণ্য তৈরি: বৈকালী বিস্কুট ফ্যাক্টরিকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা​আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে সরকার সম্পূর্ণ ব্যর্থ: পাবনায় নাহিদ ইসলামআলীকদমে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের প্রীতি ফুটবল ম্যাচ ও পুরস্কার বিতরণবগুড়া টিটিসিতে নতুন জিপ ও ড্রাইভিং কার উদ্বোধন করলেন এমপি রেজাউল করিম বাদশাচোখ জুড়ানো লং বাসন্তী ধানের রূপে সজ্জিত আমন মাঠসকাল থেকে শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষ, টিয়ারশেল ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ; প্রস্তুত জলকামানটাঙ্গাইলের মির্জাপুরে কাজীর বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ,কাবিননামায় স্বাক্ষর নিয়ে স্বাক্ষীদের অস্বীকারশ্রেণিকক্ষের বেঞ্চ থেকে পরিচালনা পর্ষদের শীর্ষ আসনে: প্রাক্তন ছাত্রকে সভাপতির পদে পেয়ে শিক্ষকের গর্ব

টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে কাজীর বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ,কাবিননামায় স্বাক্ষর নিয়ে স্বাক্ষীদের অস্বীকার

জাহাঙ্গীর আলম মির্জাপুর টাংগাইল প্রতিনিধি প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর, ২০২৬, ২:১৯ অপরাহ্ণ
টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে কাজীর বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ,কাবিননামায় স্বাক্ষর নিয়ে স্বাক্ষীদের অস্বীকার
১৩

টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে বিবাহবিচ্ছেদের ২৬ দিনের মাথায় একই নারীকে পুনরায় বিয়ে নিবন্ধন করেছেন এক ব্যক্তি। তবে দ্বিতীয় বিয়ের কাবিননামায় সাক্ষী হিসেবে উল্লেখ থাকা তিনজন দাবি করেছেন, তারা ওই কাবিননামায় স্বাক্ষর করেননি। এমনকি বিয়ের বিষয়েও তারা অবগত ছিলেন না। এ ঘটনায় দ্বিতীয় বিয়ের কাবিননামা ও নিবন্ধন প্রক্রিয়ার যথার্থতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

জানা গেছে, উপজেলার বহুরিয়া ইউনিয়নের বহুরিয়া গ্রামের মৃত সাহেব আলী সিকদারের ছেলে আবুল ফজল একই ইউনিয়নের কোর্ট বহুরিয়া গ্রামের মৃত ছলুম উদ্দিনের মেয়ে মোসাম্মৎ সালেহা বেগমকে (ছাবিহা) এক লাখ টাকা দেনমোহরে বিয়ে করেন। ২০১৬ সালের ৯ জুন ৯ নং বহুরিয়া ইউনিয়নের মুসলিম বিবাহ ও তালাক নিবন্ধক কাজী মোহাম্মদ গোলাম মোস্তফার সহকারী মোহাম্মদ নুরুল ইসলামের মাধ্যমে তাদের বিয়ে নিবন্ধিত হয়।

পরবর্তী সময়ে ২০২২ সালের ১৬ জুন আবুল ফজল তার স্ত্রী ছাবিহাকে তালাক দেন। অভিযোগ অনুযায়ী, তালাকের মাত্র ২৬ দিন পর, একই বছরের ১২ জুলাই ওই সহকারী কাজী নুরুল ইসলামের মাধ্যমে তারা পুনরায় বিয়ে নিবন্ধন করেন।

দ্বিতীয় বিয়ের কাবিননামা পর্যালোচনায় দেখা যায়, আগের কাবিননামার মতোই দেনমোহরের পরিমাণ এক লাখ টাকা রাখা হয়েছে। তবে দুই কাবিননামায় সাক্ষীদের নাম ও পরিচয়ে পার্থক্য রয়েছে। দ্বিতীয় কাবিননামায় সাক্ষী হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে বহুরিয়া গ্রামের কয়েদ আলীর ছেলে করিম মিয়া, একই গ্রামের ফজু সিকদারের ছেলে খালেক সিকদার এবং ছাবিহা বেগমের ছোট ভাই মো. নূর ইসলামকে। এ ছাড়া নূর ইসলামকে কনের উকিল হিসেবেও উল্লেখ করা হয়েছে।

তবে দ্বিতীয় বিয়ের কাবিননামায় সাক্ষী হিসেবে নাম থাকা তিনজনের মধ্যে দুজন ও কনের আপন ছোট ভাই দাবি করেছেন, তারা বিয়ের সময় উপস্থিত ছিলেন না। কাবিননামায় থাকা স্বাক্ষরও তাদের নয়। বিষয়টি জানার পর তারা আদালতে গিয়ে হলফনামা (এফিডেভিট) করেছেন বলেও জানান। তাদের দাবি, তাদের অজ্ঞাতে নাম-ঠিকানা ও স্বাক্ষর ব্যবহার করা হয়েছে। এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে দায়ীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন তারা।

আইন অনুযায়ী, মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১-এর ৭ ধারায় তালাক উচ্চারণের পর সংশ্লিষ্ট চেয়ারম্যানের কাছে লিখিত নোটিশ পৌঁছানোর তারিখ থেকে ৯০ দিন অতিবাহিত না হওয়া পর্যন্ত সাধারণভাবে তালাক কার্যকর হয় না। এর আগে তালাক প্রত্যাহার করা হলে বিষয়টি ভিন্ন। একই ধারার ৬ উপধারায় তালাক কার্যকর হওয়ার পর একই স্বামী-স্ত্রীর পুনরায় বিয়ের সুযোগের কথাও উল্লেখ রয়েছে।

এ ক্ষেত্রে তালাকের নোটিশ সংশ্লিষ্ট চেয়ারম্যানের কাছে পৌঁছানোর তারিখ হিসেবে ১৯ জুন ২০২২ উল্লেখ রয়েছে। ফলে তালাকের মাত্র ২৬ দিনের মাথায় পুনরায় বিয়ে নিবন্ধনের আইনগত ভিত্তি কী ছিল, দ্বিতীয় কাবিননামায় সাক্ষীদের স্বাক্ষরের সত্যতা এবং নিবন্ধন প্রক্রিয়া যথাযথভাবে সম্পন্ন হয়েছিল কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কাজীর সহকারী মোহাম্মদ নুরুল ইসলামের বক্তব্য জানতে চাওয়া হলে তিনি সুনির্দিষ্ট কোনো জবাব দিতে পারেননি।

মির্জাপুর উপজেলা নিবন্ধিত কাজী সমিতির সভাপতি কাজী আবুল হাশেম বলেন, তালাক দেওয়ার ২৬ দিনের মাথায় পুনরায় বিয়ে নিবন্ধনের আইনি যৌক্তিকতা তার জানা নেই। কাবিননামায় উল্লেখিত তিন সাক্ষীর স্বাক্ষর অস্বীকার করার বিষয়ে তিনি বলেন, এমনটি হয়ে থাকলে ওই কাবিননামা বাতিল বলে গণ্য হবে।

সিংগাইরে ভূমি জরিপে ঘু*ষ বাণিজ্যের অভিযোগ

কামরুল হাসান, সিংগাইর (মানিকগঞ্জ) প্রতিনিধি: প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর, ২০২৬, ১১:২৪ অপরাহ্ণ
সিংগাইরে ভূমি জরিপে ঘু*ষ বাণিজ্যের অভিযোগ

মানিকগঞ্জের সিংগাইরে বাংলাদেশ ডিজিটাল সার্ভে (বিডিএস) কার্যক্রমে জমির মালিকদের কাছ থেকে ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ উঠেছে। টাকা না দিলে জমি রেকর্ডভুক্ত করা হচ্ছে না বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা। এমনকি অর্থের বিনিময়ে একজনের জমি অন্যজনের নামে রেকর্ড করার অভিযোগও পাওয়া গেছে। এদিকে, জরিপের কাজ অসমাপ্ত রেখেই সংশ্লিষ্ট সার্ভেয়াররা এলাকা ছেড়ে চলে যাওয়ায় চরম অনিশ্চয়তায় পড়েছেন অনেক জমির মালিক।
উপজেলা সেটেলমেন্ট অফিস ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার চন্দহর ইউনিয়নের ফতেহপুর মৌজা এবং সিংগাইর বিনোদপুর বড়খণ্ড মৌজায় বিডিএসের মাধ্যমে জমি জরিপ ও রেকর্ড তৈরির কাজ চলছে। জমির সঠিক পরিমাপ, মালিকানা নির্ধারণ ও নির্ভুল রেকর্ড তৈরির লক্ষ্যে এ কার্যক্রম পরিচালিত হলেও মাঠপর্যায়ে নানা অনিয়মের অভিযোগ ওঠায় উদ্বেগ দেখা দিয়েছে স্থানীয়দের মধ্যে।
বার্তা গ্রামের মো. সিরাজ অভিযোগ করে বলেন, “আমার বাবা-চাচাদের নামে আড়াই বিঘা জমি রয়েছে। এসব জমি রেকর্ডভুক্ত করতে দায়িত্বপ্রাপ্ত সার্ভেয়ার প্রতি শতাংশের জন্য ৩০ হাজার টাকা দাবি করেন। জমির দামই যেখানে প্রতি শতাংশ ৩০ হাজার টাকা, সেখানে জরিপের জন্য এত টাকা কীভাবে দেব? টাকা দিতে না পারায় বিভিন্ন কারণ দেখিয়ে আমার জমি রেকর্ডভুক্ত করা হয়নি।”
একই গ্রামের হাবিবুর রহমান বলেন, তাঁর ১০ শতাংশ জমি রেকর্ডভুক্ত করতে ৯ হাজার টাকা দাবি করা হয়। টাকা না দিলে জমি রেকর্ড করা হবে না বলে জানানো হয়। পরে তিনি ৯ হাজার টাকা দিয়ে নিজের জমি রেকর্ডভুক্ত করেন। তবে একই দাগে তাঁর ভাবির ১০ শতাংশ জমি রেকর্ডভুক্ত করতে এক দালালের মাধ্যমে ৩০ হাজার টাকা দাবি করা হয়। দাবি করা টাকা দিতে না পারায় তাঁর ভাবির জমি রেকর্ডভুক্ত হয়নি বলে অভিযোগ করেন তিনি।
ফতেহপুর গ্রামের রুহুল আমিন অভিযোগ করে বলেন, জমির দলিল ও দখল তাঁর থাকলেও প্রায় ছয় শতাংশ জমি পাশের অন্য এক ব্যক্তির নামে রেকর্ড করা হয়েছে। তাঁর দাবি, অর্থের বিনিময়ে এ কাজ করা হয়েছে। জমির রেকর্ড সংশোধনের জন্য তিনি সংশ্লিষ্টদের বিভিন্ন অফিসে খুঁজছেন। তবে সার্ভেয়াররা ইতোমধ্যে এলাকা ছেড়ে চলে গেছেন।
স্থানীয় লতিফ নামের এক ব্যক্তি অভিযোগ করেন, জমির জরিপ ও রেকর্ডের কাজ করাতে সংশ্লিষ্টদের হাজার হাজার টাকা দিতে হচ্ছে। কেউ টাকা দিতে পারলে তাঁর জমি রেকর্ডে অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে, আর টাকা দিতে না পারলে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র থাকা সত্ত্বেও জমি রেকর্ডভুক্ত হচ্ছে না। এ ছাড়া অর্থের বিনিময়ে অন্যের জমি আরেকজনের নামে রেকর্ড করার অভিযোগও রয়েছে।
পলি নামের এক জমির মালিকও জরিপের কাজে অতিরিক্ত টাকা আদায়ের অভিযোগ করেছেন। এসব ঘটনায় স্থানীয় জমির মালিকদের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। এরই মধ্যে জরিপের কাজ শেষ না করেই সংশ্লিষ্ট সার্ভেয়াররা এলাকা ছেড়ে চলে যাওয়ায় যেসব জমির জরিপ ও রেকর্ডের কাজ অসমাপ্ত রয়েছে, সেসব জমির মালিকেরা পড়েছেন অনিশ্চয়তায়।
অভিযোগের বিষয়ে সার্ভেয়ার আলাউদ্দিন বলেন, “আমাদের কাজ আপাতত শেষ হয়েছে। কয়েক মাস পর আবার জরিপের কাজ শুরু হবে।” মাঠপর্যায়ে অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার অভিযোগ ভিত্তিহীন দাবি করে তিনি বলেন, তাঁরা কোনো টাকা নেননি।
সিংগাইর উপজেলা সেটেলমেন্ট অফিসার আব্দুর রাজ্জাক বলেন, জরিপের মাঠপর্যায়ের কাজে অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার অভিযোগ সম্পর্কে তিনি অবগত নন। তবে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে বিষয়টি খতিয়ে দেখে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সিংগাইর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) খাইরুন্নাহার পপি বলেন, জমি জরিপের কাজে টাকা নেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। এ ধরনের অভিযোগ পাওয়া গেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। জরিপে ভুলের কারণে কারও জমি অন্যের নামে রেকর্ড হয়ে থাকলে সংশ্লিষ্ট বিধান অনুযায়ী তা সংশোধনের সুযোগ রয়েছে।

দীঘিনালা সীমান্তে বিজিবি-বিএসএফের উচ্চপর্যায়ের সৌজন্য বৈঠক অনুষ্ঠিত সীমান্ত হত্যা বন্ধ, অবৈধ অনুপ্রবেশ ও ১৫০ গজের মধ্যে অবকাঠামো নির্মাণ নিয়ে আলোচনা

কে এম দুলাল হোসেন দীঘিনালা (খাগড়াছড়ি) প্রতিনিধি: প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর, ২০২৬, ১১:১৭ অপরাহ্ণ
দীঘিনালা সীমান্তে বিজিবি-বিএসএফের উচ্চপর্যায়ের সৌজন্য বৈঠক অনুষ্ঠিত সীমান্ত হত্যা বন্ধ, অবৈধ অনুপ্রবেশ ও ১৫০ গজের মধ্যে অবকাঠামো নির্মাণ নিয়ে আলোচনা

খাগড়াছড়ির দীঘিনালা সীমান্তে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)-এর মধ্যে উচ্চপর্যায়ের সৌজন্য বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৈঠকে সীমান্ত হত্যা বন্ধ, অবৈধ অনুপ্রবেশ, কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণ এবং আন্তর্জাতিক সীমান্তের শূন্যরেখা থেকে ১৫০ গজের মধ্যে অবকাঠামো নির্মাণসহ সীমান্তসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।

মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত খাগড়াছড়ির দীঘিনালা উপজেলার বাবুছড়া ৭ বিজিবির দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকায় এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। উত্তর লক্কাছড়া বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকার আন্তর্জাতিক সীমান্ত পিলার নম্বর ২২৭৮-এর মধ্যবর্তী স্থানে দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর প্রতিনিধিরা এতে অংশ নেন।
বৈঠকে বাংলাদেশের পক্ষে নেতৃত্ব দেন বাবুছড়া ৭ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল ইশতিয়াক আহমেদ ইবনে রিয়াদ। ভারতের পক্ষে নেতৃত্ব দেন ১৫৪ ও ১৭৩ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের কমান্ড্যান্ট পিয়ুশ কুমার। এ সময় উভয় দেশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠকে আন্তর্জাতিক সীমান্তের ১৫০ গজের মধ্যে রাস্তা নির্মাণের বিষয়ে আপত্তি জানায় বিজিবি। এ ধরনের নির্মাণকাজ প্রচলিত সীমান্ত বিধিবিধানের পরিপন্থী বলে উল্লেখ করেন বিজিবি কর্মকর্তারা। জবাবে বিএসএফ কমান্ড্যান্ট ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি না হওয়া এবং নির্মিত রাস্তা ব্যবহার না করার আশ্বাস দেন।
এ ছাড়া জোরপূর্বক বাংলাদেশে লোক পাঠানোর বিষয়ে বিএসএফকে সতর্ক করা হয়। একই সঙ্গে বাবুছড়া সীমান্তে নিরাপত্তা কার্যক্রমের অগ্রগতির বিষয়টিও বৈঠকে তুলে ধরে বিজিবি।
বিজিবির পক্ষ থেকে জানানো হয়, কোনো ধরনের হতাহতের ঘটনা ছাড়াই প্রায় এক বর্গকিলোমিটার অপদখলীয় ভূমি পুনরুদ্ধার করা হয়েছে। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক সীমান্তের মেইন পিলার নম্বর ২২৭৫-এর ৫-এস অংশের কিছু ভূমিও পুনরুদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।
বৈঠকে উভয় পক্ষ সীমান্ত এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা বজায় রাখার পাশাপাশি দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর মধ্যে পারস্পরিক সুসম্পর্ক, সহযোগিতা ও সমন্বয় জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। দীর্ঘদিন পর অনুষ্ঠিত এ সৌজন্য বৈঠক সীমান্তে স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে উভয় পক্ষ আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

গাজীপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হিসেবে পুনরায় দায়িত্ব পেলেন নুরুল ইসলাম বিএসসি

শ্রীপুর,(গাজীপুর) প্রতিনিধি প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর, ২০২৬, ১১:১২ অপরাহ্ণ
গাজীপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হিসেবে পুনরায় দায়িত্ব পেলেন নুরুল ইসলাম বিএসসি

গাজীপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হিসেবে পুনরায় সসম্মানে বহাল হয়েছেন অভিজ্ঞ শিক্ষক জনাব নুরুল ইসলাম বিএসসি।

​বর্তমানে বিদ্যালয়টিতে কোনো পূর্ণাঙ্গ ব্যবস্থাপনা কমিটি না থাকায়, অন্তর্বর্তীকালীন সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন শ্রীপুর উপজেলার সুযোগ্য উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) জনাব নাহিদ ভূ-ঞা। সম্প্রতি বিদ্যালয়ের সার্বিক প্রশাসনিক ও একাডেমিক গতিশীলতা বজায় রাখার স্বার্থে নতুন সভাপতি মহোদয় জনাব নুরুল ইসলাম বিএসসি-কে পুনরায় ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব অর্পণ করেন।

​স্থানীয় শিক্ষানুরাগী মহলের প্রত্যাশা, এই দুই অভিজ্ঞ ব্যক্তিত্বের যৌথ নেতৃত্বে গাজীপুর উচ্চ বিদ্যালয় শিক্ষার মানোন্নয়ন এবং শৃঙ্খলা রক্ষায় আরও এক ধাপ এগিয়ে যাবে।

×