মানুষ-হাতি সংঘাত নিরসনে সমন্বিত উদ্যোগের আহ্বান

চৌধুরী মোহাম্মদ সুজন স্টাফ রিপোর্টার প্রকাশিত: রবিবার, ৪ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:৫৬ অপরাহ্ণ
মানুষ-হাতি সংঘাত নিরসনে সমন্বিত উদ্যোগের আহ্বান

oplus_0

৮৬

মানুষ ও বন্যহাতির সংঘাত নিরসনে বন বিভাগ, প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং স্থানীয় জনগণকে সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন বন অধিদপ্তরের প্রধান বন সংরক্ষক মো. আমির হোসাইন চৌধুরী।

তিনি বলেন, বন্যহাতির প্রাকৃতিক আবাসস্থল ও চলাচলের পথ সংরক্ষণের পাশাপাশি হাতির আক্রমণে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জানমাল ও সম্পদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে মানুষ ও বন্যহাতির সহাবস্থান নিশ্চিত করা সম্ভব।
রোববার (৪ অক্টোবর) বান্দরবানের লামায় বন বিভাগের আয়োজনে বিভাগীয় বন কর্মকর্তার কার্যালয়ে ‘হাতি সংরক্ষণ’ বিষয়ক মতবিনিময় সভা ও বন্যহাতির আক্রমণে ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে সরকারি ক্ষতিপূরণের চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন বন অধিদপ্তর, ঢাকার প্রধান বন সংরক্ষক মো. আমির হোসাইন চৌধুরী। বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম অঞ্চলের বন সংরক্ষক মিহির কুমার দে, লামা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মঈন উদ্দিন এবং লামা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ কায়ছার হামিদ। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন লামা বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান।
মতবিনিময় সভায় বন্যহাতি ও মানুষের সংঘাত নিরসন, হাতির আবাসস্থল সংরক্ষণ, নিরাপদ চলাচলের পথ নিশ্চিতকরণ এবং হাতির আক্রমণে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
বক্তারা বলেন, বন ও বন্যপ্রাণী সংরক্ষণের পাশাপাশি স্থানীয় মানুষের জানমাল ও সম্পদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাও জরুরি। হাতির প্রাকৃতিক আবাসস্থল ও চলাচলের পথ সংরক্ষণ করা গেলে লোকালয়ে হাতির প্রবেশ এবং মানুষ-হাতির সংঘাত অনেকাংশে কমানো সম্ভব।
তাঁরা আরও বলেন, মানুষ ও বন্যহাতির সহাবস্থান নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। একদিকে হাতির আবাসস্থল রক্ষা ও সংরক্ষণে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে, অন্যদিকে হাতির আক্রমণে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জন্য দ্রুত সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে।
অনুষ্ঠান শেষে লামায় বন্যহাতির আক্রমণে ক্ষতিগ্রস্ত ৬৬ জনের মধ্যে মোট ২১ লাখ ৫৯ হাজার টাকার সরকারি ক্ষতিপূরণের চেক বিতরণ করা হয়।